সেন্সরে নিষিদ্ধ হওয়ার মতো কোনো দৃশ্য বা সংলাপ এই ছবিতে নেই


তারেক আজিজ প্রকাশের সময় : ০১/১২/২০২১, ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ /
সেন্সরে নিষিদ্ধ হওয়ার মতো কোনো দৃশ্য বা সংলাপ এই ছবিতে নেই

দীর্ঘ বিরতির পর আবার দর্শকদের সামনে হাজির হলেন সিমলা। ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে তাঁর ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। এর আগে দুই দফা সিনেমাটি আটকে দেয় সেন্সর বোর্ডে। এই সিনেমা ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বললেন এই অভিনেত্রী।

 

নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে। সাড়া পাচ্ছেন কেমন?

সত্য কথা কি, আমি এখনো ছবিটি দেখিনি। দেখার সময় পাইনি। শুনেছি ভালো যাচ্ছে। আমার পরিচিত কয়েকজন ইউটিউবে দেখেছেন। ফোনে আমাকে প্রশংসা করেছেন তাঁরা। দুই–এক দিনের মধ্যে দেখব। ব্যস্ততা একটু শেষ হোক।

কী নিয়ে ব্যস্ততা?

আমার মা ঢাকায়এসেছেন। তিনি একটু অসুস্থ। আমার এক ভাইও অসুস্থ ছিলেন। তাঁদের নিয়ে হাসপাতাল দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে।

‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ সেন্সর বোর্ড ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করেছে। এ জন্য কি সেন্সর বোর্ডকে দায়ী করবেন?

না, দায়ী করব না। কারণ সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা অনেক বিচক্ষণ। তাঁরা তাঁদের মেধা দিয়ে সেন্সরে ছবিটি বিচার-বিবেচনা করেছেন। তবে আমি মনে করি, সেন্সরে নিষিদ্ধ হওয়ার মতো কোনো দৃশ্য বা সংলাপ এ ছবিতে নেই। তেমন কোনো আপত্তিকর দৃশ্যও নেই। আমি সেই ধরনের কোনো দৃশ্যে কাজও করিনি। আমি ‘ম্যাডাম ফুলি’ ছবিতে কাজ করে সিনেমায় যে ‘ভার’ অর্জন করেছি, তা তো নষ্ট করতে পারি না।

তাহলে কেন সেন্সরে ‘অযোগ্য’ হলো?

সেন্সরে অযোগ্য হওয়ার ব্যাপারটা তো আমি জানি না। এটি ছবির পরিচালক জানেন, তিনিই ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু দুঃখজনক, ছবির শিল্পী বা কোনো গণমাধ্যমেও বিষয়টি পরিষ্কার করেননি পরিচালক। এই ছবির একজন শিল্পী হিসেবে এ বিষয়ে এখনো আমি অন্ধকারে আছি।

এটি প্রেক্ষাগৃহের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল, ছোট পর্দায় মুক্তির কারণে খারাপ লাগেনি?

বড় পর্দায় ছবি দেখার স্বাদই আলাদা। সেটা তো আর হলো না। তবে এ কারণে কষ্ট পাচ্ছি না। যেকোনো কারণে যেকোনো বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি কষ্ট পাই না। তবে যে কারণে বড় পর্দায় ছবিটি মুক্তি দেওয়া গেল না, সেই কারণটা যদি পরিচালক পরিষ্কার করতেন, তাহলে আরও ভালো হতো।

ছবিতে আপনার উপস্থিতি খুব বেশি নয়

মূল যে গল্প ছিল, যে গল্প শুনে আমি কাজ শুরু করেছিলাম, আমার যে কাজটুকু করার কথা ছিল, তার শতভাগের মধ্যে ৩০ ভাগ করা হয়েছে। আমার চরিত্রের ৭০ ভাগ কাজই হয়নি।

কিন্তু ছবির কাজ তো শেষ হয়েছে…

হ্যাঁ, কাজ শেষ হয়েছে। হয়তো গল্প ঘুরিয়ে শেষ করা হয়েছে। গল্পে আমার চরিত্রের অংশের পুরোপুরি কাজ করা হয়নি।

বলিউডের ছবি ‘সফর’-এ অভিনয় করেছেন। তার খবর কী?

ছবির শুটিং, ডাবিংয়ের কাজ আগেই শেষ হয়েছে। মিউজিকের কাজ শেষের পথে। পৃথিবীর বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ছবিটি।

বলিউডে আর নতুন কোনো ছবির খবর আছে?

গোবিন্দ প্রোডাকশন থেকে একটি ছবিতে কাজের কথা চূড়ান্ত হয়েছিল। ওখানে কর্মশালাও করেছিলাম। দেশে আসার পর করোনার কারণে আর যাওয়া হয়নি। করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই ভালো। যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। গেলে নতুন খবর বলতে পারব।

২০১৪ সালে ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ ছবিটির শুটিং শুরু করার পর আর নতুন কোনো ছবিতে দেখা যায়নি। কেন?

এই সময়টাতে দু-একটি ছবিতে কাজের প্রস্তাব পাইনি, তা নয়। কিন্তু ওই সব ছবিতে কাজ করা করিনি। তা ছাড়া এখন আমাকে কেন্দ্র করেই যে ছবি বানাতে হবে, তা–ও বলছি না। গল্পের সঙ্গে চরিত্রটি যায়, এমন চরিত্র পেলেই কাজ করতে পারি। অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক কী হয়।

আর সংসার করবেন না?

সংসার তো করতেই হবে। চিন্তাভাবনা করছি। তবে যোগ্য পাত্র পেলে বিয়ে করে ফেলব।