চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতা নজিরবিহীন


তারেক আজিজ প্রকাশের সময় : ২২/১১/২০২১, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ /
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতা নজিরবিহীন

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সামিউল হক লিটন

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সামিউল হক লিটন বলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সেটি খুবই ভয়ংকর। প্রতিনিয়ত ঘটছে সহিংসতার ঘটনা। শহরজুড়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইতিহাসে নির্বাচনী সহিংসতার নিকৃষ্ট নজির। সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা, হুমকি ভাংচুরে আমরা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে তার কর্মীদের উপর হামলা, হুমকি ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুরের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার সকালে শহরের রেস্তোরায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, আমার বয়সে বিগত অনেকগুলো নির্বাচন আমি দেখেছি। গত পৌরসভা নির্বাচনে আমি নিজেও সরকারি দল মনোনীত প্রার্থী ছিলাম। তখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত এমপিও ছিলেন। সবধরনের সক্ষমতা থাকারপরও অনিয়ম বা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ আমরা করিনি। তবে এ নির্বাচনে যা হচ্ছে সে দৃশ্য সভ্য সমাজে কল্পনা করা কঠিন।

https://youtu.be/Sm2w7xWRSeA

সামিউল হক লিটনের দাবীÑ সোহেল, রিপন, জাহিদুল দুলাল, মিলন ও দিদার নামে ৬ কর্মীর উপর দেশী-অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। পিটিয়ে অহত করা হয়েছে তাদের। এছাড়াও গত ২৬ অক্টোবর নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আগে আমার ৯টি নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করা হয়। নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষনার পর ২০ নভেম্বর শহরের বিদিরপুরে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর রাতে শহরের চারটি নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিউল হক লিটন বলেন, সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যে ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, দৃশ্যতই চাঁপাইনবাবগঞ্জে তা নেওয়া হয়নি। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ দিয়েছি। আশা করবো জনগণকে সুষ্ঠুভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটপ্রদানের সুযোগ করে দিতে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই প্রত্যাশা করছি।

এ প্রসঙ্গে পৌর নির্বাচনের রির্টার্নিং কর্মকর্তা মো. মোতাওয়াক্কিল রহমান বলেন, আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিউল হক লিটনের তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ সুপারে নির্দেশ দিয়েছি।