গৃহহীনদের নতুন ঠিকানা লাল-সবুজ ‘স্বপ্ন নীড়


তারেক আজিজ প্রকাশের সময় : ০৭/০১/২০২১, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ /
গৃহহীনদের নতুন ঠিকানা লাল-সবুজ ‘স্বপ্ন নীড়

ফারুক আহমেদ চৌধুরী : মুজিববর্ষ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩০ গৃহহীন পরিবারের নতুন ঠিকানা হবে লাল-সবুজ রঙিন টিনের সেমি-পাকা ঘর। এ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গৃহহীনদের জন্য বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সরকারি খাস জমিতে ৩৬টি পাকা বাড়ি নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহহীনদের জন্য লাল সবুজ টিনের ঘর নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সরকারি পুকুর পাড়ে একই নকশায় রঙিন টিনের নতুন ঘরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে গৃহনির্মাণ কাজ চলছে। দ্রুত কাজ শেষ করে উপকারভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি বিতরণ করা হবে।

জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার পাওয়ার আনন্দে নতুন স্বপ্নে বিভোর গৃহহীন পরিবারগুলো। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম সরকারে তত্তাবধানে নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে প্রাকৃতিক সুন্দর মনোরম পরিবেশে বসবাস করবে ভূমিহীন ১৩০টি পরিবার।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে গৃহহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একেএম তাজকির-উজ-জামান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম সরকার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমীন, জেলা যুবলীগের সভাপতি সামিউল হক লিটন, দৈনিক চাঁপাই চিত্রের সম্পাদক মো. কামাল উদ্দীন, বালিয়াঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সরেজমিনে দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম সরকার, গৃহহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণের কাজ তদারকি করছেন। বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত তাকে বাড়ী নির্মাণ কাজের তদারকি করতে দেখা গেছে।

তিনি বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত দিয়ে ওই জমির উপর ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি আধা-পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সবগুলো ঘর সরকার নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে। রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেটসহ অন্যান্য সুবিধা থাকছে এসব ঘরে। আশা করছি দ্রুত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার তুলে দিতে পারব।